রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসের শ্রদ্ধার্ঘ্য তিনি বাঙালির অস্তিত্ব ও চেতনার সঙ্গে মিশে আছেন
- আপলোড সময় : ০৯-০৮-২০২৬ ০১:৫২:৩৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-০৮-২০২৬ ০১:৫২:৩৪ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৩তম প্রয়াণ দিবসের শ্রদ্ধার্ঘ্য উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়। সার্বিক সহযোগিতা করে জেলা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় ছিল জেলা শিল্পকলা একাডেমি।
জেলা কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল চৌধুরী পাবেলের সভাপতিত্বে এবং সংস্কৃতি কর্মী তাছকিরা হক তাজিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাপস শীল বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল বাংলা সাহিত্যের পথপ্রদর্শকই নন, তিনি আমাদের চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সংকট ও সম্ভাবনায় তাঁর সাহিত্য ও দর্শন আমাদের প্রতিনিয়ত দিকনির্দেশনা দেয়।
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ইভা রায়।
আলোচকবৃন্দ রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্ম, ভাবাদর্শ এবং সমাজচিন্তার বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে কর্মসূচিতে অংশ নেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান শামীম এবং সুনামগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি লতিফুর রহমান রাজু।
বক্তারা বলেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিশীলতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা আজও বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে। তিনি বাঙালির অস্তিত্ব ও চেতনার সঙ্গে মিশে আছেন।
আলোচনা পর্ব শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে শিল্পীরা রবীন্দ্রসংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ